বিশ্ব শিক্ষক দিবসে কাপ্তাইয়ে র‍্যালি-আলোচনা সভা, শিক্ষকদের মর্যাদা ও নিরাপদ কর্ম পরিবেশের দাবি

প্রতিবেদক: নুর মোহাম্মদ বাবু
প্রকাশ: ৪ দিন আগে

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষ কিন্নরীতে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রায়হানুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকরাই একটি জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার অন্যতম প্রধান কারিগর। শিক্ষকদের যথাযথ মর্যাদা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও পেশাগত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে। তিনি শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা এবং শিক্ষার্থীদের মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

কাপ্তাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মাহমুদ হাসানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মামুন এবং কাপ্তাই সহকারী তথ্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন।

সভায় বক্তব্য দেন কাপ্তাই সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আঁখি তালুকদার, কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্ত, নুরুল হুদা কাদেরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়সীম বড়ুয়া, বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জগদীশ চন্দ্র দাশ, চন্দ্রঘোনা তৈয়বিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসার সুপার জাফরুল আলম নিজামী, শহীদ শামসুদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমির হোসাইন এবং ডংনালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরিন সুলতানা।

বক্তারা শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে শিক্ষকদের কিছু দাবি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারের প্রতি ধন্যবাদ জানান।

এর আগে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

এ বছর বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য— “শিক্ষকদের পাশে থাকা: পেশার সুরক্ষা, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ার ৬০ বছর।”